| শিরোনাম: |
|
বিএমটিটিআই ক্যাম্পাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
|
|
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (বিএমটিটিআই) কর্তৃক যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় বিএমটিটিআই ক্যাম্পাসের হলরুমে বিএমটিটিআইএর অধ্যক্ষ প্রফেসর মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়। ![]() এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএমটিটিআইএর সহযোগী অধ্যাপক (সমাজ কল্যাণ) মোঃ আব্দুল মান্নান, সহকারী অধ্যাপক (ইসলাম শিক্ষা) ড. মোঃ নুরুল্লাহ্, সহকারী অধ্যাপক (উদ্ভিদবিদ্যা) অমল কান্তি বড়ুয়া, সহকারী অধ্যাপক (গনিত) মুহঃ আলী ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক (বাংলা) মোহাম্মদ শরিফ হোসেন, প্রভাষক (আরবী) মোঃ আবু ছালেহ, প্রভাষক (শিক্ষা) সূচনা আক্তার, প্রভাষক (ইংরেজি) মোঃ গোলাম কুদ্দুস, লাইব্রেরিয়ান কাম ডকুমেন্টেশন মোঃ হুমায়ুন কবির প্রমুখ। এসময় বক্তারা ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে তারা বলেন, আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। এ দিনটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। পরে, বিএমটিটিআইএর সহকারী অধ্যাপক (ইসলাম শিক্ষা) ড. মোঃ নুরুল্লাহ’র পরিচালনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ঊল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। এম এ জি ওসমানীকে সরকারের প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। সেই সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়। মুজিবনগরে তৎকালীন সাব–ডিভিশনাল পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব উদ্দিন আহমদের (বীরবিক্রম) নেতৃত্বে ১২ জন আনসার সদস্য বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালি জাতির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। মুজিবনগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দিনটি উদ্যাপনের মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করবে। বিডি ক্যাম্পাস/সিআর/জেড এইচ
|