BD Campus || Online Newsportal in Bangladesh

দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০০৫ সালে গঠন করা হয়েছিল নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি, যা সংক্ষেপে এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নামে পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটির অযৌক্তিক কতিপয় কর্মকান্ডে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেশের লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষিত বেকার। এনটিআরসিএ মূলত বেসরকারি স্কুল,

 
মঙ্গলবার ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শিরোনাম: যথাযথভাবে জনগণের সেবা দিতে চান ইউএনও কাবেরী       বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল অনুমোদনহীন জ্বালানি তেলের দোকান       যে মাস থেকে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা       ৩০ জুনই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা; জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি       ৫ম গণবিজ্ঞপ্তির প্রাথমিক সুপারিশ নিয়ে ফেসবুকে ‘গুজব’       নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসিতে ফেল করলেও কলেজে ভর্তির সুযোগ        একাদশে ভর্তি আবেদনে ‘লিঙ্গ অপশন’ জটিলতা কেটেছে      
শিক্ষক নিবন্ধন যেন আরেক অবৈধ ক্যাসিনো
জাহিদ হাসান
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০, ২:৪৫ পিএম |

দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০০৫ সালে গঠন করা হয়েছিল নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি, যা সংক্ষেপে এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নামে পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটির অযৌক্তিক কতিপয় কর্মকান্ডে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেশের লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষিত বেকার। এনটিআরসিএ মূলত বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন পরীক্ষার আয়োজন করে থাকে। ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত একটি বিশেষ পরীক্ষাসহ মোট ১৬টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হয়েছে। ইতিমধ্যে আবার দেওয়া হয়েছে ১৭ তম পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আবেদনের বিজ্ঞপ্তি। শুরুর দিকে স্বেচ্ছাচারিতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি দেড় শতাধিক মামলায় পড়েছিল। পরে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সবগুলো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের একটি সম্মিলিত মেধাতালিকা প্রকাশ করে মামলাগুলোর সুরাহা হয়। রায়ে আরো বলা হয় উত্তীর্ণদের মধ্যে যাঁদের বয়স ৩৫-এর মধ্যে আছে, তাঁরাই শুধু এখন থেকে চাকুরীর জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় যে, এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব পরীক্ষা অভিন্ন পদ্ধতিতে এবং অভিন্ন নীতিমালায় অনুষ্ঠিত হয়নি। কখনো সারা দেশে শূন্য পদ সাপেক্ষে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল, কখনো বলা হয়েছিল উপজেলাভিত্তিক পদ শূন্য সাপেক্ষে। ফলে কখনো কম নম্বর পেয়েও কেউ উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, আবার কখনো অনেক নম্বর পেয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি অনেকে।  পরীক্ষা পদ্ধতিতেও ছিল ভিন্নতা। ১৬ টি নিবন্ধন পরীক্ষায় কখনো শুধু লিখিত পরীক্ষা হয়েছে। কখনো প্রাথমিক বাছাই, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা ৩ ধাপেও হয়েছে। কোনো নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করানো হয়েছে অনেক, কখনো সামান্যই। কোনো বছর পাসের হার ছিল ৫২ শতাংশ, কোনো বছর ২ শতাংশের কম। এমন আরো বহু তুঘলকি কান্ড চলেছে এ প্রতিষ্ঠানে। 


নন গর্ভনমেন্ট টির্চাস রেজিস্ট্রেশন এন্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি (এনটিআরসিএ) আরেকটি উদ্ভট নিয়ম চালু রেখেছে এই উদ্ভট পদ্ধতির নাম হলো গণবিজ্ঞপ্তি। এ পদ্ধতিতে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত নিবন্ধনধারীদেরকে আবার চাকুরীর জন্য নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে প্রতিষ্ঠান চয়েস দিয়ে আবেদন করতে হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের জন্য একজন চাকুরী প্রার্থীকে টেলিটক সিমের মাধ্যমে জমা দিতে হয় ১৮০ টাকা। যদি তিনি কোনো দোকান থেকে কাজটি করতে চান, তাহলে প্রতিটি আবেদনের জন্য আরও ৩০-৪০ টাকা দিতে হচ্ছে।   এনটিআরসিএর পক্ষ থেকে বলা হয় একজন প্রার্থী যত খুশি তত প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে। গত ০৬/০৬/২০১৬ তারিখে এনটিআরসিএ চাহিত ই-রিকুইজিশনে দেখা গেছে একজন চাকুরী প্রার্থী সর্বমোট ৪০টি প্রতিষ্ঠানে (১৮০ গুণিতক ৪২০=৭৫,৬০০ টাকা) যা অনলাইন আবেদন বাবদ কম্পিউটার দোকানের বিলসহ গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় লাখের কাছে। অথচ, অনলাইনে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আলাদা আলাদা আবেদনে চয়েস বাবদ লক্ষ টাকা খরচ করেও চাকুরীর নাগাল পায়নি অনেকে। এনটিআরসিএর এহেন নীতি কী অবৈধ ক্যাসিনোতে ভাগ্য পরীক্ষার মত নয়? অথচ নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রত্যেক পরীক্ষার্থী একবার ৩৫০ টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করেছিলেন। এরপর তাঁদের প্রাথমিকভাবে প্রিলিমিনারী, তারপর লিখিত এরপর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাঁরা এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে পছন্দক্রম চাওয়া হয়েছে। এই পছন্দক্রম অনুযায়ী কাজ করার জন্য এ প্রতিষ্ঠানের এক টাকাও অতিরিক্ত প্রয়োজন নেই। তারপরও এই টাকা ফি ধার্য করাটা বেকারদের ওপর জুলুম। দেশের সব চাকরিতে বেকারদের বিনা টাকায় আবেদন করার সুযোগটাই এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রতি মাসে একজন বেকারের চাকরির আবেদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকার ব্যাংক ড্রাফট করতে হয়। এই টাকা একজন বেকারের পক্ষে সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন।  শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া একজন বেকারকে রীতিমতো লটারির টিকিট কিনে ভাগ্য যাচাইয়ের মতো অবস্থায় ফেলা হয়েছে। একজন চাকরিপ্রার্থী পছন্দক্রমে ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করলে প্রয়োজন হবে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। আমাদের দেশে একজন বেকার চাকরিপ্রার্থীর পক্ষে কি এত টাকা দিয়ে চাকরির আবেদন করা সম্ভব?


এবার অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) বিসিএস পরীক্ষার আয়োজন করে থাকে। এখানে দেখা যায় সারাদেশ থেকে আগে শুন্য পদগুলো সংগ্রহ করা হয়। এরপর উক্ত পদের উপর ভিত্তি করে সার্কুলার দেয়া হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় ৩-৪ লক্ষ প্রার্থী উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করে থাকে। প্রথমে প্রিলিমিনারী পরীক্ষা নেওয়া হয়। এখানে একটা বড় সংখ্যক প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয় নাম্বারের ভিত্তিতে। পরবর্তীতে নেওয়া হয় লিখিত পরীক্ষা সেখানে নাম্বারের ভিত্তিতে প্রার্থী টিকানো হয়। সবশেষ ভাইভার মাধ্যমে রাখা হয় প্রাপ্ত শুন্য পদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে। প্রকাশ থাকে যে, কোন কোন বিসিএসে প্রাপ্ত শুন্যপদ নিয়ে একবছর ধরে চলা বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে চলমান সময়ে আরো শুন্যপদ পেলে তাও যোগ করে প্রার্থী রাখা হয়। পাবলিক সার্ভিস কমিশন এক আবেদনে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাডারে, নন-ক্যাডারে, এমনকি মাধ্যমিক-প্রাথমিক স্কুলেও নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। পিএসসি যদি এক আবেদনে হাজার হাজার পদ উন্মুক্ত রাখতে পারে প্রতিযোগিতার জন্য, তাহলে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা আবেদন করতে বলা প্রহসনই বটে। অর্থাৎ ভাইভা ফেস করা প্রত্যেক প্রার্থীর চাকুরী নিশ্চিত করে পিএসসি। আর একজন প্রার্থী প্রিলিমিনারী, লিখিত পাশ করার পর ভাইভা দিলে তাকে চাকুরী দেওয়াটা অনেকটা আবশ্যক হয়ে পড়ে। কারণ, ৩-৪ লাখ পরীক্ষার্থী থেকে শেষতক ভাইভায় যেতে পারে ৩-৪ হাজার। অর্থাৎ, এই তিনধাপ উৎরাতে তাকে যে একটা ব্যাপক যোগ্যতার পরিচয় দিতে হয়েছে সে কথা অনস্বীকার্য। কিন্তু, মোটের উপর হিসেব করে শেষে কেউ পায় ক্যাডার কেউ বা পায় নন-ক্যাডার বা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ। অর্থাৎ ভাইভায় উত্তীর্ণ কাউকেই বাদ দেওয়া হয়না। কিন্তু, পিএসসি কী ভাইভায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে চাকুরী দিতে আরো কোন লটারীতে ফেলে? না, ফেলেনা। প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ভাইভায় উত্তীর্ণ সবার পদ এবং চাকুরী নিশ্চিত হয়। 

অপরপক্ষে, এনটিআরসিএ কী করছে? তারা শুন্য পদের চাহিদা না নিয়েই (নিলেও তার হিসেবে ব্যাপক গড়মিল) বছর বছর পরীক্ষার সাকুর্লার দিয়ে যাচ্ছে। যাতে আবেদন পড়ে ১১ লক্ষাধিক। সবশেষ প্রিলিমিনারী, লিখিত ও ভাইভা নিয়ে শেষতক রাখা হচ্ছে ১০-১১ হাজার প্রার্থীকে। কিন্তু, ভাইভায় উত্তীর্ণ সবার চাকুরী কী নিশ্চিত হচ্ছে? না। চাকুরী তো নিশ্চিত হচ্ছেইনা বরং আরেক অবৈধ ক্যাসিনোতে নামতে হচ্ছে তাদেরকে। সেই অবৈধ ক্যাসিনোর নাম হলো গণবিজ্ঞপ্তি। যে গণবিজ্ঞপ্তির আগে এনটিআরসিএ সারাদেশের বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শুন্যপদের চাহিদা নিয়ে নিবন্ধন উত্তীর্ণ সকল ব্যাচের উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছ থেকে আবার আবেদন চেয়ে থাকে। এবং এখানে বলা হয় প্রতি আবেদনে টেলিটক সীমের মাধ্যমে জমা দিতে হবে ১৮০ টাকা। যে যত বেশী আবেদন করবে তার চাকুরী পাওয়ার নিশ্চয়তা তত বেশী বেড়ে যায়। কিন্তু, এমনটা কী হওয়ার ছিল? না কক্ষনো না। আবশ্যক ছিল প্রতিটি ব্যাচের চাকুরী নিশ্চিত করে পরবর্তীতে আরেক পরীক্ষার আয়োজন করা। তাতে করে আর গণবিজ্ঞপ্তি নামক অবৈধ ক্যাসিনোতে আর নামতে হতোনা নিবন্ধনধারীগণকে। এ গণবিজ্ঞপ্তি যেন এমন যে, একের পর হাজার হাজার সন্তান জন্ম দিয়ে পরে তাদেরকে বলা যে তোমরা তোমাদের পিতাকে খুঁজে নাও। কিন্তু আদৌ কী এটা কোন নিয়ম? নিয়ম হলো যিনি জন্ম দিবেন তিনিই পিতৃ পরিচয়ে সন্তানকে বেড়ে তুলবেন। যেটা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা (বিপিএসসি)। কিন্তু, এ পদ্ধতির ধারে কাছে যাচ্ছেনা এনটিআরসিএ।     

একথা সকলের জানা যে চাকুরীর জন্য নেয়া প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হলো নেওয়ার নয় প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার পরীক্ষা। অর্থাৎ তুখোড় মেধাবী যারা সবশেষ এই পরীক্ষায় তারাই টিকে থাকে। অতএব শেষতক যারা টিকে থাকে তাদের চাকুরী নিশ্চিত করা জরুরী। যেমন পিএসসি ৩-৪ লাখ প্রার্থীর পরীক্ষা নিষে শেষে ভাইভায় ৩-৪ হাজার রেখে সবার চাকুরী নিশ্চিত করে। তাহলে একই কায়দায় ১১ লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়ে শেষে ভাইভায় উত্তীর্ণ ১০-১১ হাজার প্রার্থী রেখে এদের সকলের চাকুরী কেন নিশ্চিত করতে পারেনা এনটিআরসিএ? এ প্রশ্ন দেশের সকল বিবেকবান মানুষের।   

আমরা জানি বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। আর শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ণের জন্য সরকার যেসকল প্রতিষ্ঠান গড়ে থাকে সেগুলো হলো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। আর সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো সচরাচর বাণিজ্য না করে অল্প টাকায় মানুষকে সেবা দিয়ে থাকে। এবার একটি হিসেব করা যাক। সরকারের এমনই একটি সেবাসূলক প্রতিষ্ঠান হলো পিএসসি। যারা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আবেদন বাবদ একজন প্রার্থীর কাছ থেকে টেলিটক সীমের মাধ্যমে ৭০০ টাকা নিয়ে থাকে। বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন কারী থাকে সর্বোচ্চ ৪ লাখ। যা টাকায় দাঁড়ায় ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। অপরপক্ষে এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আবেদন বাবদ একজন প্রার্থীর কাছ থেকে টেলিটক সীমের মাধ্যমে  টাকা নিয়ে থাকে ৩৫০। যার আবেদনকারীর সংখ্যা কমপক্ষে ১১ লাখ হয়ে থাকে। এতে আবেদনকারীর জমা দেয়া টাকার অংক দাঁড়ায় ৩ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু, পিএসসি আবেদন বাবদ যে ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নিল পরীক্ষা গ্রহণের ব্যয়ভার নির্বাহে। পরবর্তীতে কিন্তু উক্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের চাকুরীতে যোগদান করতে আর কোন টাকা দিতে হয়না। অথচ, এনটিআরসিএ গত ডিসেম্বর মাসে ৩৯ হাজার ৫৩৫টি পদে কলেজ-স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছ থেকে পছন্দক্রম ঠিক করার আবেদন তথা গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবারও উত্তীর্ণদের তাছ থেকে এনটিআরসিএ আয় করে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা। বিশে^র কোন দেশে চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও চাকুরীতে যোগদানের পূর্বে টাকা প্রদানের এমন বিধান আছে বলে কোন নজীর নেই। এছাড়া, এনটিআরসিএর এহেন কর্মকান্ডে এটি বলা যায় যে এটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের মোড়কে লুকিয়ে থাকা একটি বেকার মারার প্রতিষ্ঠান। 

শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করে বলেছেন এখনই সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এনটিআরসিএর এই বিষয়টি খতিয়ে দেখার। সেইসাথে এসব সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার। কারণ, এনটিআরসিএ কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কিংবা লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সেই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান যে অন্যায় প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে তা বন্ধ হওয়া জরুরি বলে মনে করেন দেশের সকল বোদ্ধারা। 

-লেখক, 
সাংবাদিক, কলামিস্ট









 সর্বশেষ সংবাদ

যথাযথভাবে জনগণের সেবা দিতে চান ইউএনও কাবেরী
বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল অনুমোদনহীন জ্বালানি তেলের দোকান
যে মাস থেকে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা
৩০ জুনই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা; জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি
৫ম গণবিজ্ঞপ্তির প্রাথমিক সুপারিশ নিয়ে ফেসবুকে ‘গুজব’
নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসিতে ফেল করলেও কলেজে ভর্তির সুযোগ
একাদশে ভর্তি আবেদনে ‘লিঙ্গ অপশন’ জটিলতা কেটেছে
আরো খবর ⇒

 সর্বাধিক পঠিত

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বাড়ানো নিয়ে যা জানা গেল
শনিবারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
৫ম গণবিজ্ঞপ্তির প্রাথমিক সুপারিশ নিয়ে যা জানাল এনটিআরসিএ
বেসরকারি স্কুলের ভর্তি ফি সরকারি কোষাগারে জমার নির্দেশ
যে মাস থেকে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আসছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা
৯৬ হাজার পদের বিপরীতে আবেদন মাত্র ২৩ হাজার; খালি পদ পূরণে যা জানাল এনটিআরসিএ
নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসিতে ফেল করলেও কলেজে ভর্তির সুযোগ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল-১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২
ই মেইল : bd-campus@gmail.com, bd-campus@yahoo.com